পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কী এবং কেন এটি স্পর্শকাতর?
বাংলাদেশে প্রবাসী বা ব্যস্ত জমির মালিকরা জমি বিক্রি বা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব অন্য কাউকে অর্পণের জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (আম-মোক্তারনামা) দলিল সম্পাদন করেন। কিন্তু রিয়েল এস্টেট প্রতারণার একটি বড় অংশ ঘটে এই দলিলের অপব্যবহার করে।
আম-মোক্তারনামা যাচাইয়ের ৭-পয়েন্ট চেকলিস্ট:
১. সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন: ২০১২ সালের আইন অনুযায়ী পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নোটারি পাবলিকের নোটারাইজেশন যথেষ্ট নয়, এটি বাধ্যতামূলকভাবে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রেজিস্ট্রি হতে হবে।
২. বিক্রয়ের সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা (Power to Sell): দলিলে সম্পত্তি হস্তান্তরের বা বিক্রির স্পষ্ট ক্ষমতা দেওয়া আছে কি না পরীক্ষা করুন। কেবল ‘রক্ষণাবেক্ষণ’ বা ‘তত্ত্বাবধানের’ ক্ষমতা থাকলে তিনি জমি বিক্রি করতে পারবেন না।
৩. মূল মালিকের জীবিত থাকার প্রমাণপত্র (Life Certificate): বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে এবং চুক্তি সম্পাদনের দিন তিনি জীবিত আছেন কি না নিশ্চিত হতে হবে।
৪. বালাম বই তল্লাশি: দলিলটি ইতঃপূর্বে বাতিল (Revoked) করা হয়েছে কি না তা সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড বালাম বই থেকে তল্লাশি দিয়ে যাচাই করতে হবে।